
চীনের ক্রমবর্ধমান সামরিক চাপ ও হুমকির মধ্যে অতিরিক্ত প্রতিরক্ষা বাজেট অনুমোদন করেছে তাইওয়ানের পার্লামেন্ট। তবে সরকার যে পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ চেয়েছিল, অনুমোদিত বাজেট তার তুলনায় অনেক কম।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পার্লামেন্টে ২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিশেষ প্রতিরক্ষা বাজেট পাস করা হয়েছে। এই বাজেটের আওতায় হাই মোবিলিটি আর্টিলারি রকেট সিস্টেম, সেলফ-প্রোপেল্ড হাউইটজার, ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন এবং জ্যাভলিন অ্যান্টি-আর্মার মিসাইল কেনার পরিকল্পনা রয়েছে।
তাইওয়ান সরকার যুক্তরাষ্ট্র থেকে আধুনিক অস্ত্র কেনার পাশাপাশি দেশীয়ভাবে তৈরি সামরিক সরঞ্জাম ও ড্রোন উৎপাদনে বিনিয়োগ বাড়াতে চেয়েছিল। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল চীনের সম্ভাব্য সামরিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করা।
তবে পার্লামেন্টের বিরোধী দল কুওমিনতাং বা কেএমটি এই বাজেটের বিরোধিতা করে। দলটির দাবি, সরকারের প্রস্তাবে পর্যাপ্ত স্বচ্ছতা ছিল না এবং এতে দুর্নীতির ঝুঁকি থাকতে পারে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে তাইওয়ানকে প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে আসছে। গত ডিসেম্বরে ওয়াশিংটন তাইওয়ানের জন্য ১১ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রয় প্যাকেজ ঘোষণা করেছিল। এছাড়া আরও বড় একটি সামরিক সহায়তা প্যাকেজের সম্ভাবনার কথাও জানা গেছে।