.
বাংলাদেশ

ছাত্রলীগ নেতাকে ধরতে গিয়ে পুলিশের ওপর হামলা, কনস্টেবল আহত

Email :45

৪ঠা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ১৭ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ২৮শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি দুপুর ১২:৫৮ শুক্রবার গ্রীষ্মকাল

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ইশমামুল হকের বড় ভাইয়ের ওপর ছুরিকাঘাতের ঘটনায় উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত এক নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করতে গেলে পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এতে এক পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

অভিযুক্ত নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ নেতা মো. মিনহাজছবি: স্থানীয়ভাবে সংগৃহীত

শনিবার (২০ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে লোহাগাড়া উপজেলার বড়হাতিয়া ইউনিয়নের তৈয়বের পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে অভিযান চালিয়ে পুলিশ অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা মো. মিনহাজসহ দুইজনকে আটক করে।

আটক মিনহাজ (২২) লোহাগাড়া সদর ইউনিয়ন শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং নিষিদ্ধঘোষিত বাংলাদেশ ছাত্রলীগ–এর স্থানীয় নেতা হিসেবে পরিচিত। তিনি রশিদের পাড়া এলাকার বাসিন্দা। অপর আটক ব্যক্তি বাহার উদ্দিন (৩৮), যিনি হামলায় অভিযুক্তকে পালাতে সহায়তা করেছেন বলে পুলিশের ধারণা।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার সন্ধ্যা আনুমানিক সাতটার দিকে উপজেলার আমিরাবাদ স্টেশন এলাকায় মুহিবুল হকের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, মিনহাজ ও তার সঙ্গে থাকা কয়েকজন ধারালো অস্ত্র দিয়ে মুহিবুল হককে ছুরিকাঘাত করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। স্থানীয়রা আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

পরবর্তীতে অভিযুক্তদের অবস্থান নিশ্চিত করে পুলিশ রাতের আঁধারে অভিযান চালায়। এ সময় অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে পুলিশের ওপর হামলা চালানো হলে কনস্টেবল আল আমিন আহত হন। তাঁকে তাৎক্ষণিকভাবে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এ বিষয়ে লোহাগাড়া থানা–এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল জলিল জানান, ছুরিকাঘাতের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত মিনহাজকে আটক করা হয়েছে এবং তাঁকে আশ্রয় ও সহযোগিতা দেওয়ার অভিযোগে বাহার উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

স্থানীয়দের মধ্যে এ ঘটনার পর ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদের পরিবারের সদস্যের ওপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ক্ষোভ ও উদ্বেগ বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশি নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

Analysis | Habibur Rahman

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts