
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ…
যেখানে প্রতিদিন বদলে যাচ্ছে জোট, কৌশল আর শক্তির সমীকরণ। এতদিন ধারণা ছিল—
ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি হামলায় সবচেয়ে সক্রিয় ছিল শুধু ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র।
কিন্তু এবার সামনে এসেছে নতুন এক তথ্য।
বার্তা সংস্থা Reuters জানিয়েছে,
যুদ্ধ চলাকালে সৌদি আরবও গোপনে ইরানের ভেতরে একাধিক বিমান হামলা চালিয়েছে।
আর এই তথ্য দিয়েছেন পশ্চিমা ও ইরানি কর্মকর্তারা।
প্রতিবেদনে বলা হয়,
ইরানের পক্ষ থেকে সৌদি আরবে হামলার জবাব হিসেবেই
সৌদি বিমানবাহিনী পাল্টা আক্রমণ চালায়।
যদিও এসব হামলার বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি। এর আগেও খবর আসে,
United Arab Emirates-ও নাকি গোপনে ইরানের তেল স্থাপনায় হামলা চালিয়েছিল।
বিশেষ করে পারস্য উপসাগরের লাভান দ্বীপের একটি তেল স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু ছিল বলে দাবি করা হয়।
বিশ্লেষকরা বলছেন,
এটি মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত।
কারণ বহু বছর ধরে সৌদি আরব নিরাপত্তার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তির ওপর নির্ভর করলেও,
এবার তারা সরাসরি সামরিক প্রতিক্রিয়া দেখানোর পথে হাঁটছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump বলেছেন,
“হয় ইরানের সঙ্গে সমঝোতা হবে, নয়তো তারা ধ্বংস হয়ে যাবে।” অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী Abbas Araghchi দাবি করেছেন,
যুদ্ধ বন্ধ না হওয়ার প্রধান কারণ আমেরিকার ‘অসততা’।
সব মিলিয়ে প্রশ্ন এখন একটাই—
মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত কি কূটনীতির পথে থামবে,
নাকি আরও বড় আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নেবে?