গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। শনিবার বাদ আসর রাজধানীর বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে এই বিক্ষোভ-সমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে এ তথ্য জানা যায়। এর আগে বুধবার সন্ধ্যায় সংসদ ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিরোধীদলীয় নেতা Shafiqur Rahman সরকারের কর্মকাণ্ড নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন নিয়ে সরকারি দলের ভূমিকা তাদেরকে “বিস্মিত, আহত ও মর্মাহত” করেছে।
একই দিনে জাতীয় সংসদের অধিবেশনেও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সংসদের প্রথম অধিবেশনের ষষ্ঠ দিনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন বিরোধী দল ওয়াকআউট করে। মূলত মুলতবি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার পর ‘জুলাই সনদ’ সংক্রান্ত আদেশ জারি না করা এবং বিরোধীদলীয় নেতাকে ‘মিসকোড’ করার অভিযোগ এনে বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে তারা অধিবেশন ত্যাগ করেন।
ওয়াকআউটের আগে স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বিষয়টি কোনো একটি দলের নয়, বরং এটি জাতীয় ঐকমত্যের প্রতিফলন ছিল। নির্বাচনের আগে সরকার ও বিরোধী দল উভয়ই এ বিষয়ে একমত ছিল বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, গণভোটের রায়ের যথাযথ মূল্যায়ন না হওয়ায় জনগণের মতামত উপেক্ষিত হয়েছে।
তবে স্পিকার বিরোধীদলকে ওয়াকআউটের আগে অপেক্ষা করার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, পরবর্তী আলোচনায় তাদের প্রশ্নের উত্তর আসতে পারে এবং সেখানে আরও বিস্তারিতভাবে মতামত প্রকাশের সুযোগ থাকবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ইস্যুতে এই টানাপোড়েন দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলতে পারে। আসন্ন বিক্ষোভ কর্মসূচি পরিস্থিতিকে কোন দিকে নিয়ে যায়, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

