.
জাতীয়

ডাকসু ও চাকসু ছাত্রনেতাদের নতুন অধ্যায়: বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন জিএস ফরহাদ ও সানজিদা

Email :59

১৭ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ ২রা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১২ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি বিকাল ৫:৩৯ সোমবার বসন্তকাল

 ছাত্ররাজনীতির গণ্ডি পেরিয়ে এবার জীবনের নতুন অধ্যায়ে পা রাখলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এস এম ফরহাদ। জীবনসঙ্গী হিসেবে তিনি বেছে নিয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদাউস সানজিদাকে। কাকতালীয়ভাবে একই দিনে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন ডাকসুর সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) মহিউদ্দীন খানও।

বুধবার (আজ) দুপুরে রাজধানী ঢাকার একটি মসজিদে ধর্মীয় রীতি মেনে ও অত্যন্ত ঘরোয়া পরিবেশে এস এম ফরহাদ ও জান্নাতুল ফেরদাউস সানজিদার ‘আকদ’ সম্পন্ন হয়। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে রাজধানীর নিউ এলিফ্যান্ট রোডের একটি রেস্তোরাঁয় নবদম্পতিদের সম্মানে এক প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়।

কে এই নবদম্পতি?
পাহাড়ি জনপদ রাঙামাটি থেকে উঠে আসা এস এম ফরহাদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে তিনি কবি জসীমউদ্‌দীন হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ছিলেন। তাঁর গ্রামের বাড়ি রাঙামাটির লংগদু উপজেলার মাইনী ইউনিয়নের গাথাছড়া গ্রামে। শিক্ষাজীবনের শুরুতে তিনি স্থানীয় বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া আদর্শ দাখিল মাদ্রাসা থেকে দাখিল এবং পরবর্তীতে চট্টগ্রাম নগরের বায়তুশ শরফ মাদ্রাসা থেকে আলিম সম্পন্ন করে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পান।

অন্যদিকে, কনে জান্নাতুল ফেরদাউস সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজতত্ত্ব বিভাগের তৃতীয় বর্ষের (২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষ) শিক্ষার্থী। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া হলের আবাসিক ছাত্রী এবং চাকসুর নির্বাহী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সানজিদার পৈতৃক নিবাস ফেনী জেলায়।

একই দিনে এজিএসের বিয়ে
ডাকসুর ইতিহাসে এটি একটি আনন্দঘন কাকতালীয় ঘটনা। জিএস ফরহাদের বিয়ের দিনেই বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন ডাকসুর এজিএস মহিউদ্দীন খান। দুই শীর্ষ নেতার বিয়ের অনুষ্ঠান একই দিনে হওয়ায় সহপাঠী ও রাজনৈতিক সহযোদ্ধাদের মধ্যে আনন্দের আমেজ বিরাজ করছে।

ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতি
বিয়ের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন চাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সাঈদ বিন হাবিব। তিনি জানান, জাঁকজমকপূর্ণ কোনো আয়োজন নয়, বরং দুই পরিবারের ঘনিষ্ঠ সদস্য ও একান্ত আপনজনদের নিয়ে ঘরোয়া পরিবেশে এই বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে। দুপুরের আকদ শেষে রেস্তোরাঁয় আয়োজিত মধ্যাহ্নভোজে উপস্থিত ছিলেন চাকসু ও ডাকসুর বেশ কয়েকজন নেতা।

নবদম্পতিদের ভবিষ্যৎ জীবনের সুখ ও সমৃদ্ধি কামনা করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তাঁদের রাজনৈতিক সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

Analysis | Habibur Rahman

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts