ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক তফসিল ঘোষণার চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে শুধু সংসদ নির্বাচনই নয়, একই সঙ্গে গণভোটের সময়সূচিও ঘোষণা করা হতে পারে। দীর্ঘদিনের রেওয়াজ অনুযায়ী, তফসিল ঘোষণার ঠিক আগমুহূর্তে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে প্রস্তুতির বিষয়ে অবহিত করবে কমিশন। এ লক্ষ্যে বঙ্গভবনে সাক্ষাতের সময় চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছে ইসি সচিবালয়।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১০ বা ১১ ডিসেম্বর দুপুরে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের সময় চাওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপতির সম্মতি মিললে সেদিনই নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি রাষ্ট্রপ্রধানের কাছে তুলে ধরবে কমিশন। ধারণা করা হচ্ছে, ১০ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হলে, পরদিন অর্থাৎ ১১ ডিসেম্বরই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে।
বৃহস্পতিবার (আজ) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান ইসি সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ।
তিনি বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট—উভয় বিষয়ের তফসিল নিয়ে আলোচনার জন্য আমরা রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎ চেয়ে চিঠি দিয়েছি। ১০ অথবা ১১ ডিসেম্বর দুপুর ১২টায় সময় চাওয়া হয়েছে।’
নির্বাচন পদ্ধতির সংস্কার প্রসঙ্গে সচিব জানান, প্রবাসীদের ভোটাধিকার প্রয়োগ সহজ করতে পোস্টাল ব্যালট পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনা হচ্ছে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) এই সংশোধনীটি ইতিমধ্যে উপদেষ্টা পরিষদের অনুমোদন পেয়েছে।
এদিকে নির্বাচনের আগে নতুন রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনের বিষয়টিও গুরত্বের সঙ্গে দেখছে কমিশন। এ বিষয়ে আখতার আহমেদ জানান, ‘বাংলাদেশ জনতার দল’ ও ‘আম জনতার দল’ নামে দুটি নতুন দলকে নিবন্ধন দেওয়ার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই দল দুটির বিষয়ে কারও কোনো আপত্তি বা দাবি আছে কি না, তা যাচাই করতে শুক্রবার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। তাদের বিষয়ে প্রাপ্ত তথ্যাদি বিশ্লেষণ করেই চূড়ান্ত নিবন্ধন দেওয়া হবে।
Analysis | Habibur Rahman
