.
আন্তর্জাতিক

ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র হামলার পর: ইরানের সামরিক সক্ষমতা কতটুকু ভয়ঙ্কর?

Email :4

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র–এর যৌথ সামরিক অভিযানের পর মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নতুন করে উত্তেজনায় ভরেছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ঘোষণা করেছে তারা ইরানের বিরুদ্ধে pre-emptive strike চালিয়েছে, যার উদ্দেশ্য ছিল ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক হুমকি প্রতিহত করা। একই সাথে যুক্তরাষ্ট্রও হামলা চালিয়েছে ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে, যার ফলে তেহরান থেকে উত্তেজনার কঠিন রেসপন্সের হুমকি এসেছে।

ইরান দীর্ঘদিন ধরে নিজের সামরিক সক্ষমতা বাড়িয়ে চলেছে, বিশেষ করে ক্ষেপণাস্ত্র ও অনমনীয় উন্নত ড্রোন প্রযুক্তিতে। বিশ্ব সামরিক বিশ্লেষক গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ার–এর তথ্যমতে ইরান সামরিক শক্তির দিক দিয়ে বিশ্বের শীর্ষ কয়েকটি দেশের মধ্যে অবস্থান করছে এবং ১৬তম শক্তিধর দেশে পরিণত হয়েছে।

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারও উল্লেখযোগ্য: যেমন খেইবার শেকান নামক মধ্য পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের কার্যকরী পরিসীমা প্রায় ১,৪৫০ কিমি, যা তেল আবিবসহ আরও অনেক অঞ্চলকে লক্ষ্য করতে সক্ষম। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের অস্ত্র রয়েছে, যার মাধ্যমে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ করার ক্ষমতা তৈরি হয়েছে।

তবে সামগ্রিক সামরিক শক্তি বিচারে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তুলনায় অনেক বেশি আধুনিক ও বড় বাজেটের প্রযুক্তি হাতে রেখেছে। তবুও ইরান যদি পূর্ণ সক্ষমতায় পাল্টা হামলা চালায়, তা গুপ্তচর সংস্থা ও বিশেষজ্ঞরা বড় ধাক্কা দিতে পারে—বিশেষত মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন-ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটিগুলোর ওপর।

ইরানের সামরিক সক্ষমতা পুরো লড়াইয়ে সরাসরি জয়ের জন্য যথেষ্ট হবে কি না তা সময়ই বলবে; কিন্তু নিশ্চিতভাবেই তার রয়েছে এমন জওয়ারী শক্তি, যা আবার যুদ্ধকে আরও জটিল ও ব্যাপক করে তুলতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts