১লা কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি সকাল ৮:৫৩ শনিবার হেমন্তকাল
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটাধিকার প্রয়োগে অভূতপূর্ব সাড়া মিলছে। প্রযুক্তির সহায়তায় প্রবাসীদের ভোটদান প্রক্রিয়া সহজ করতে চালু হওয়া ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে ইতিমধ্যেই ভোট দেওয়া সম্পন্ন করেছেন ৪ লাখেরও বেশি প্রবাসী। এর মধ্যে ২১ হাজারেরও বেশি ব্যালট পেপার ডাকযোগে বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে।
মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন ও ভোটদান সংক্রান্ত প্রকল্প ‘ওসিভি-এসডিআই’-এর পক্ষ থেকে গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

ব্যালট প্রেরণ ও গ্রহণের পরিসংখ্যান
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ২৭ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকৃত ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২ জন প্রবাসীর গন্তব্যের দেশে পোস্টাল ব্যালট সফলভাবে পৌঁছে গেছে। এর মধ্যে ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৯২০ জন প্রবাসী ভোটার সেই ব্যালট গ্রহণ করেছেন।
ব্যালট হাতে পাওয়ার পর ৪ লাখ ২৫ হাজার ৭৮৮ জন প্রবাসী তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ বা ভোটদান সম্পন্ন করেছেন বলে জানা গেছে। এটি প্রবাসী ভোটিং ব্যবস্থায় প্রযুক্তির ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
দেশে ব্যালট পৌঁছানোর প্রক্রিয়া
ভোটদান সম্পন্ন করার পর প্রবাসী ভোটাররা সংশ্লিষ্ট দেশের পোস্ট অফিস বা নির্ধারিত ডাকবাক্সে ব্যালট জমা দিচ্ছেন। ওসিভি-এসডিআই প্রকল্পের টিম লিডার সালীম আহমাদ খান জানান, এখন পর্যন্ত ৩ লাখ ৭০ হাজার ৩২২ জন ভোটার বিদেশের মাটিতে ব্যালট জমা দিয়েছেন। ডাকযোগে পাঠানো এসব ব্যালটের মধ্যে ২১ হাজার ৫০৮ জন ভোটারের ব্যালট ইতিমধ্যেই বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে। বাকি ব্যালটগুলোও পর্যায়ক্রমে দেশে এসে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মোট নিবন্ধন ১৫ লাখ ছাড়াল
নির্বাচন ও গণভোটে অংশগ্রহণের জন্য দেশে এবং বিদেশে অবস্থানরত ভোটারদের আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। সালীম আহমাদ খান জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে এখন পর্যন্ত (দেশ ও বিদেশ মিলিয়ে) মোট ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮৩ জন ভোটার নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন।
প্রবাসীদের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নির্বাচন প্রক্রিয়ায় তাদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে এবং গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। Analysis | Habibur Rahman