
উন্নত, আধুনিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, বর্তমান প্রজন্মই দেশের ভবিষ্যৎ। তাই নিজেদের জ্ঞান, দক্ষতা ও নৈতিকতায় সমৃদ্ধ করে দেশ গঠনে ভূমিকা রাখতে হবে।
রোববার (২৮ জুন) জাতীয় সংসদ ভবনের ভিআইপি ক্যাফেটেরিয়ায় আয়োজিত এক মধ্যাহ্নভোজ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে সংসদ অধিবেশন দেখতে আসা শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও দর্শনার্থীদের উদ্দেশে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমানের আমন্ত্রণে আয়োজিত এই মধ্যাহ্নভোজে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা অংশ নেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
জানা যায়, অনুষ্ঠানে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের আইন বিভাগের ২৯ জন শিক্ষার্থী, গণসাক্ষরতা অভিযানের সহযোগী সংস্থা ‘সুরভী’র মাধ্যমে আসা সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থী ও শিক্ষকসহ ২১ জন এবং তেজগাঁও কলেজ ডিবেটিং সোসাইটির ১৬ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন।
মধ্যাহ্নভোজের সময় প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে মতবিনিময় করেন এবং তাদের পড়াশোনা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজখবর নেন। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, শুধু একাডেমিক শিক্ষাই নয়, খেলাধুলা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। পাশাপাশি নিজেদের যোগ্য, দক্ষ এবং দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান প্রজন্মের হাত ধরেই বাংলাদেশের আগামী দিনের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা নির্ভর করছে। সে কারণে শিক্ষার্থীদের এখন থেকেই নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে তারা একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন।
মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়ে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা জানান, দেশের সরকারপ্রধানের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়ের অভিজ্ঞতা তাদের জন্য অনুপ্রেরণাদায়ক।
সংসদ পরিদর্শন কর্মসূচির অংশ হিসেবে অংশগ্রহণকারীরা জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে ধারণা লাভ করেন। এছাড়া তারা সংসদ লাইব্রেরি পরিদর্শন, উত্তর প্লাজায় ফটোসেশনে অংশগ্রহণ এবং সংসদ অধিবেশন কক্ষে উপস্থিত থেকে সংসদের কার্যক্রম সরাসরি প্রত্যক্ষ করার সুযোগ পান।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে গণতান্ত্রিক চর্চা, সংসদীয় কার্যক্রম সম্পর্কে জ্ঞান এবং রাষ্ট্র পরিচালনা বিষয়ে আগ্রহ বৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।