.
জাতীয়

গণভোট সচেতনতায় দেশজুড়ে ব্যাপক কর্মসূচি, সমন্বয় করছে সরকারের শীর্ষ পর্যায়

Email :4

১লা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ ১৫ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ২৫শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি দুপুর ১২:০৮ বৃহস্পতিবার শীতকাল

আসন্ন গণভোট নিয়ে জনমনে স্বচ্ছ ধারণা তৈরিতে সরকার দেশজুড়ে ব্যাপক সচেতনতামূলক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং আজ সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে তৃণমূল পর্যায়ে গণভোটের বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিরাজমান অস্পষ্টতা দূর করাই এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।

প্রেস উইং সূত্রে জানা গেছে, এই কার্যক্রমের অংশ হিসেবে মাঠপর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা, ধর্মীয় নেতা এবং বেসরকারি বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃস্থানীয় প্রতিনিধিদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যেই এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। গত রোববার বরিশালে পৃথকভাবে বিভাগীয় কর্মকর্তা সম্মেলন ও ইমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব সম্মেলনে গণভোট বিষয়ে প্রশিক্ষণমূলক বক্তব্য উপস্থাপন করেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (উপদেষ্টা পদমর্যাদা) অধ্যাপক আলী রীয়াজ এবং অপর বিশেষ সহকারী মনির হায়দার। প্রেস উইং আরও জানিয়েছে, আগামী দিনগুলোতে দেশের অন্যান্য বিভাগেও একই ধরনের কর্মসূচির বিস্তৃতি ঘটবে।

এই ব্যাপকভিত্তিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে। বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়গুলো বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা এবং বেসরকারি সংগঠনের প্রতিনিধিদের জন্য প্রশিক্ষণের আয়োজন করছে। অন্যদিকে, ইমাম ও ধর্মীয় নেতাদের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মসূচির দায়িত্ব পালন করছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, আজ ১২ জানুয়ারি (সোমবার) রাজশাহীতে বিভাগীয় পর্যায়ে ইমাম সম্মেলন ও বিভাগীয় মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে। পর্যায়ক্রমে ১৪ জানুয়ারি রংপুরে, ১৫ জানুয়ারি চট্টগ্রামে, ১৭ জানুয়ারি ঢাকায়, ১৯ জানুয়ারি ময়মনসিংহে, ২২ জানুয়ারি সিলেটে এবং ২৪ জানুয়ারি খুলনায় একই ধরনের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।

এসব মতবিনিময় সভায় বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও জ্যেষ্ঠ শিক্ষকবৃন্দ, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও প্রেস ক্লাবের সভাপতি/সম্পাদক, দোকান মালিক সমিতির সভাপতি/সম্পাদক, অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সমিতি ও এনজিও প্রধান/এনজিও অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি/সম্পাদক, ধর্মীয় নেতা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এসব সভার মূল উদ্দেশ্য হলো ভোটারদের মধ্যে গণভোট বিষয়ে ব্যাপক জনসচেতনতা তৈরি করা এবং বিভাগীয়, জেলা, উপজেলা ও অন্যান্য অংশীজনদের এই প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত করা।

Analysis | Habibur Rahman

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts