
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী Tarique Rahman-কে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আপত্তিকর পোস্ট শেয়ার করার অভিযোগে ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় আজিজুল হক নামের এক ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ঘটনায় আবারও আইনের অপব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
গত ২৬ মার্চ রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তবে গ্রেফতারের পরদিন তার বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ও সন্ত্রাস দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি করেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মো. ফজলু।
জানা গেছে, মুক্তাগাছা থানা পুলিশ দণ্ডবিধির ৫৪ ধারায় আজিজুল হককে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠায়। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
গ্রেফতারের পরদিন মামলা দায়ের এবং অভিযোগের বিষয়বস্তু নিয়ে জানতে চাইলে মামলার বাদী মো. ফজলু কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
এদিকে ময়মনসিংহ আদালত পুলিশের পরিদর্শক মোস্তাছিনুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। তিনি বলেন, মামলাটি মুক্তাগাছার কগনিজেন্স আদালতে রয়েছে এবং এতে সন্ত্রাসবিরোধী আইন ও সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ—দুই আইনের আওতায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
ঘটনাটি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে, বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার এবং পরবর্তীতে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া নিয়ে আইন বিশেষজ্ঞ ও সচেতন মহল প্রশ্ন তুলছেন। তাদের মতে, আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত না হলে তা নাগরিক অধিকারের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
সব মিলিয়ে, এই ঘটনা আবারও দেখিয়ে দিয়েছে—ডিজিটাল মাধ্যমে মতপ্রকাশ, আইনের প্রয়োগ এবং নাগরিক স্বাধীনতার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা এখন একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।