১লা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ ১৫ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ২৫শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি সকাল ১০:৩৯ বৃহস্পতিবার শীতকাল
দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে সারাদেশের সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তির ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রথম থেকে নবম শ্রেণির ভর্তির ডিজিটাল লটারির এই ফল প্রকাশ করা হয়।

দুপুর ২টার দিকে লটারি কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর থেকেই শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা ফলাফল জানতে পারছেন। অনুষ্ঠানে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বড় পর্দায় ডিজিটাল পদ্ধতিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্কুল ও শিক্ষার্থীদের নাম এবং আইডি নির্বাচনের প্রক্রিয়াটি প্রদর্শন করা হয়।
ফলাফল জানার উপায়
শিক্ষার্থীরা দুটি সহজ উপায়ে তাদের ভর্তির ফলাফল জানতে পারবে—অনলাইনে এবং এসএমএসের মাধ্যমে।
১. এসএমএস পদ্ধতি: যেকোনো টেলিটক নম্বর থেকে মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে টাইপ করতে হবে: GSA <Space> Result <Space> User ID। এরপর বার্তাটি পাঠিয়ে দিতে হবে 16222 নম্বরে। ফিরতি এসএমএসে শিক্ষার্থী নির্বাচিত হয়েছে কি না, তা জানিয়ে দেওয়া হবে।
২. অনলাইন পদ্ধতি: নির্ধারিত সরকারি ভর্তির ওয়েবসাইট থেকেও সরাসরি ফলাফল দেখা যাবে।
আসন ও বিদ্যালয় সংক্রান্ত তথ্য
মাউশি সূত্রে জানা গেছে, এবারের ভর্তি প্রক্রিয়ায় মোট ৪ হাজার ৪৮টি বিদ্যালয় অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে সরকারি বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৬৮৮টি এবং বেসরকারি ৩ হাজার ৩৬০টি। সারাদেশে মোট ১১ লাখ ৯৩ হাজার ২৮১টি আসনের বিপরীতে এই লটারি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি স্কুলে ১ লাখ ২১ হাজার ৩০টি এবং বেসরকারি স্কুলে ১০ লাখ ৭২ হাজার ২৫১টি আসন রয়েছে।
ভর্তি ও পরবর্তী নির্দেশনা
লটারিতে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ভর্তির বিষয়ে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও অভিভাবকদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। লটারি শেষ হওয়ার পর প্রতিষ্ঠান প্রধানরা নির্ধারিত আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে ফলাফল ডাউনলোড করতে পারবেন। এরপর ডাউনলোডকৃত ফলাফল সংশ্লিষ্ট জেলা ও উপজেলা ভর্তি কমিটির সভাপতির কাছে ই-মেইলে পাঠিয়ে মাউশিকে অবহিত করতে হবে।
পরবর্তীতে ভর্তি কমিটির সভা আহ্বান করে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের কাগজ যাচাই-বাছাই ও যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ভর্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
Analysis | Habibur Rahman
