
গত ১৭ বছরে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ‘যন্তর-মন্তর ঘরের’ মাধ্যমে রাজাকাররা মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তিযোদ্ধারা রাজাকার হয়ে বের হয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেছেন গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম কায়সার লিংকন। তিনি একই সঙ্গে জানতে চেয়েছেন, এসব ঘটনায় কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী আহমেদ আযম খানের উদ্দেশে এমপি শামীম কায়সার লিংকন এই প্রশ্ন ছুড়ে দেন। এমপি বলেন, “বিগত ১৭ বছরে আমাদের এই গুম-খুন-আয়নাঘরের পাশাপাশি আরেকটা ঘর ছিল, যাকে তিনি ‘যন্তর-মন্তর ঘর’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। হীরকরাজার দেশের মতো, যেখানে কৃষকদের যন্ত্রের ঘরে প্রবেশ করানো হতো এবং বের হওয়ার সময় যন্ত্র শেখানো হতো, ঠিক তেমনিভাবে কিছু এলাকায় রাজাকার ও মুক্তিযোদ্ধাদের পরিচয় পরিবর্তন ঘটেছে।”
তিনি আরও জানান, ২০০৮ সালের পর অনেকে রাজাকার থেকে মুক্তিযোদ্ধা বা মুক্তিযোদ্ধা থেকে রাজাকার হয়েছেন। এমপি প্রশ্ন করেছেন, “এই যে ১৭ বছরে যন্ত্রের মাধ্যমে রাজাকার মুক্তিযোদ্ধা হয়েছেন এবং মুক্তিযোদ্ধারা রাজাকার হয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না?”
মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী আহমেদ আযম খান জানান, অমুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা যাচাই ও তাদের সন্তানদের অবৈধ সুবিধা নিয়ন্ত্রণের কাজ চলছে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, অল্প দিনের মধ্যে সুনির্দিষ্ট তথ্যসহ সংখ্যা প্রকাশ করা সম্ভব হবে।