
মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump নেটো জোট থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি “গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছেন” বলে মন্তব্য করেছেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম The Telegraph-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন, যা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প নেটো জোটকে “কাগুজে বাঘ” হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি মনে করেন, এই সামরিক জোট বাস্তবিক অর্থে ততটা শক্তিশালী নয়, যতটা ধারণা করা হয়। তার এই মন্তব্য সরাসরি NATO-এর কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।
সাক্ষাৎকারে তাকে জিজ্ঞেস করা হয়, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত শেষ হওয়ার পর তিনি নেটোতে যুক্তরাষ্ট্রের সদস্যপদ পুনর্বিবেচনা করবেন কি না। জবাবে ট্রাম্প বলেন, বিষয়টি এখন আর “পুনর্বিবেচনার পর্যায়ে নেই”, অর্থাৎ তিনি ইতোমধ্যেই এ বিষয়ে দৃঢ় অবস্থানে পৌঁছেছেন বলে ইঙ্গিত দেন।
ট্রাম্প আরও বলেন, তিনি কখনোই নেটোর ওপর নির্ভর করেননি এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট Vladimir Putin-ও এই বাস্তবতা সম্পর্কে অবগত। তার মতে, নেটোর শক্তি নিয়ে যে ধারণা প্রচলিত, তা অনেকটাই অতিরঞ্জিত।
এছাড়া তিনি যুক্তরাজ্যের সামরিক সক্ষমতা নিয়েও কঠোর সমালোচনা করেন। বিশেষ করে দেশটির নৌবাহিনী সম্পর্কে তিনি বলেন, এটি আগের মতো কার্যকর নেই এবং আধুনিক যুদ্ধের জন্য যথেষ্ট প্রস্তুত নয়।
ট্রাম্পের এই মন্তব্যগুলো শুধু যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিতেই নয়, বরং বৈশ্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। নেটোর মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক জোট থেকে যুক্তরাষ্ট্র সরে গেলে বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন ভারসাম্য তৈরি হতে পারে, যা ভবিষ্যতে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।