.
অন্যান্য

নাগরিকদের নয়, ‘খুনি’ হাসিনাকে পুশ-ইন করুন! ভারতের প্রতি চরম বার্তা।

Email :38

১৭ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ ২রা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১২ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি দুপুর ১২:১০ সোমবার বসন্তকাল

সীমান্তে কথিত পুশ-ইন আতঙ্ক এবং অনুপ্রবেশের চেষ্টার অভিযোগের মধ্যেই এবার নয়াদিল্লিকে উদ্দেশ্য করে নজিরবিহীন এক বার্তা দিল জাতীয় নাগরিক কমিটি। সংগঠনের আহ্বায়ক আখতার হোসেন ভারতকে স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন, সীমান্তে সাধারণ নাগরিক বা নিরীহ মানুষকে ঠেলে না দিয়ে তাদের উচিত সেখানে আশ্রয় নেওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ‘পুশ-ইন’ করা বা ফেরত পাঠানো।


সম্প্রতি সীমান্তে ভারতের পক্ষ থেকে লোকজনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর অভিযোগের প্রেক্ষিতে আখতার হোসেন এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ভারতের কাঁটাতারে যাদের ওপর নির্যাতন বা জোরজবরদস্তি করা হচ্ছে, তারা সাধারণ মানুষ। অথচ জুলাই গণহত্যায় অভিযুক্ত মূল কারিগর শেখ হাসিনা ভারতে নিরাপদ আশ্রয়ে রয়েছেন। আখতার হোসেনের মতে, ভারতের যদি কাউকে ফেরত পাঠাতেই হয়, তবে তা হওয়া উচিত শেখ হাসিনা।


জাতীয় নাগরিক কমিটির এই শীর্ষ নেতা অভিযোগ করেন, শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকাকালীন মারণাস্ত্র ব্যবহার করে নিজ দেশের ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচারে গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন, যা স্পষ্টত মানবতাবিরোধী অপরাধ। তিনি বলেন, “যিনি রক্তপাতে নেতৃত্ব দিয়েছেন, তাকে আশ্রয় দেওয়া কোনো প্রতিবেশী সুলভ আচরণ হতে পারে না।” অবিলম্বে শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করা এবং তার কৃতকর্মের জন্য মৃত্যুদণ্ডের মতো সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।


বিশ্লেষকদের মতে, আখতার হোসেনের এই বক্তব্য কেবল একটি দাবি নয়, বরং এটি ভারতের প্রতি জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশের ছাত্র-জনতার ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। সীমান্তে অস্থিরতা সৃষ্টি না করে পলাতক স্বৈরাচারকে হস্তান্তরের এই আহ্বান দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের বর্তমান টানাপোড়েনে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

Analysis | Habibur Rahman

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts