.
রাজনীতি

গণতন্ত্রের পিঠে ছুরিকাঘাত করে ক্ষমতায় আসতে চায় একটি বিশেষ মহল: ডা. রফিকুল ইসলাম

Email :9

১লা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ ১৫ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ২৫শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি সকাল ১০:৩৯ বৃহস্পতিবার শীতকাল

দেশ বর্তমানে একটি ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে এবং গণতন্ত্র এখনো পুরোপুরি সুরক্ষিত নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, একটি বিশেষ অপশক্তি এখনো পেছনের দরজা দিয়ে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তাদের মূল লক্ষ্য দেশের কষ্টার্জিত গণতন্ত্রকে ভূলুণ্ঠিত করা।

সোমবার (১২ জানুয়ারি ২০২৬) দুপুরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ডা. মিলন অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক দোয়া ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় এই সভার আয়োজন করা হয়।

ডা. রফিকুল ইসলাম তাঁর বক্তব্যে বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, ‘আমরা এখনো গণতন্ত্রের চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করতে পারিনি। লড়াই এখনো চলছে। যতক্ষণ না জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে প্রকৃত গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত এই লড়াইয়ের সুফল সাধারণ মানুষের ঘরে পৌঁছাবে না।’ তিনি নেতাকর্মীদের সতর্ক করে বলেন, ষড়যন্ত্রকারীরা বসে নেই। তারা অগণতান্ত্রিক পন্থায় রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামো ধ্বংস করতে চায়। তাই সবাইকে সর্বোচ্চ সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।

প্রয়াত নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, ‘এক-এগারোর সেনাসমর্থিত সরকারের সময় বেগম জিয়াকে বিদেশে নির্বাসনে পাঠানোর বহু চক্রান্ত হয়েছিল। কিন্তু তিনি ছিলেন আপসহীন। দেশের মাটি ও মানুষকে ছেড়ে তিনি কোথাও যাননি। এই দেশের মাটিতেই তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেছেন, যা তাঁর দেশপ্রেমের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।’

তিনি আরও উল্লেখ করেন, নারীশিক্ষা বিস্তার এবং স্বাস্থ্যখাতের আধুনিকায়নে বেগম জিয়ার অবদান জাতি চিরকাল স্মরণ রাখবে। আজকের এই ডা. মিলন অডিটোরিয়ামটিও তাঁর শাসনামলেরই একটি অনন্য অবদান।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল শাখা বিএনপির সভাপতি মো. আজিম এবং সঞ্চালনা করেন শিপন মিয়া। অনুষ্ঠানে বক্তারা তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলকে সুসংগঠিত করে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

Analysis | Habibur Rahman

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts