
দেশের সব কোচিং সেন্টার বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন। একই সঙ্গে অনিয়ন্ত্রিতভাবে গড়ে ওঠা কিন্ডারগার্টেনগুলোকে নিবন্ধনের আওতায় আনার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
শনিবার (৪ এপ্রিল) কুমিল্লা সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, “দেশের শতভাগ কোচিং সেন্টার বন্ধ করা হবে। এই দেশে আর কোচিং সেন্টার চলতে দেওয়া হবে না।”
এর আগে তিনি কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড আয়োজিত এক সভায় এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬ উপলক্ষে কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে আলোচনা করেন।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সিসি ক্যামেরা স্থাপন বাধ্যতামূলক করা হবে। শিক্ষকরা নিয়মিত ক্লাস নিচ্ছেন কি না, তা পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। এছাড়া পরীক্ষা চলাকালে কোনো ধরনের নকল পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র সচিবকে আইনের আওতায় আনা হবে।
তিনি আরও বলেন, শুধু পরীক্ষাকেন্দ্র নয়—প্রতিষ্ঠানের ভেতরের যেকোনো স্থানে, এমনকি বাথরুমে নকলের প্রমাণ পাওয়া গেলেও প্রতিষ্ঠানপ্রধানকে জবাবদিহি করতে হবে। কেন্দ্রের বাইরে থেকে কেউ নকলের সহযোগিতা করলে তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. শামছুল ইসলাম, ডেপুটি কন্ট্রোলার মো. কবির আহমদ, সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু, জেলা প্রশাসক মো. রেজা হাসান এবং পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান।
সরকারের এই সিদ্ধান্ত শিক্ষা খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে কতটা কার্যকর হবে, তা এখন সময়ই বলে দেবে। তবে কোচিং নির্ভরতা কমিয়ে মূলধারার শিক্ষায় শিক্ষার্থীদের ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যই এখানে স্পষ্ট।