শনিবার ভোরে লিডারশিপ হাউস কমপাউন্ডে দায়িত্ব পালনকালে তিনি প্রাণ হারান। এই ঘটনার খবর প্রকাশ করেছে সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল, যারা এটিকে ‘রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সরাসরি আগ্রাসন’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। একই সঙ্গে ইরান হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল–কে দায়ী করেছে।
উপগ্রহ চিত্র বিশ্লেষণ করে BBC Verify জানিয়েছে, তেহরানের ওই কমপাউন্ডে উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে Islamic Revolutionary Guard Corps–সংক্রান্ত তাসনিম বার্তা সংস্থা দাবি করেছে, খামেনির আত্মগোপনের খবর ছিল ‘মানসিক যুদ্ধের’ অংশ।
ইরানের সংবিধানের ১১১ ধারা অনুযায়ী, নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট, বিচার বিভাগের প্রধান, ও গার্ডিয়ান কাউন্সিলের একজন সদস্য মিলে অন্তর্বর্তী দায়িত্ব পালন করবেন। ইতোমধ্যেই তিন সদস্যের একটি কাউন্সিল সাময়িকভাবে রাষ্ট্রীয় নেতৃত্ব গ্রহণ করেছে।
খামেনির মৃত্যুর খবরে তেহরানসহ বিভিন্ন শহরে সমর্থকদের জমায়েত দেখা গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনাকে আরও তীব্র করে তুলতে পারে, এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির উপর গভীর প্রভাব ফেলতে পারে।